বাঞ্ছারামপুরে ড্রেজারে কাজ করতে গিয়ে মকবুল-রুবেল নিখোঁজ
বাঞ্ছারামপুরে ড্রেজারে কাজ করতে গিয়ে মকবুল-রুবেল নিখোঁজ
0:00 0:00

বাঞ্ছারামপুরে ড্রেজারে কাজ করতে গিয়ে মকবুল-রুবেল নিখোঁজ

অন্যান্য
বাঞ্ছারামপুরে ড্রেজারে কাজ করতে গিয়ে মকবুল-রুবেল নিখোঁজ
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:৩৮ এএম

বাঞ্ছারামপুরে ড্রেজারে কাজ করতে গিয়ে মকবুল-রুবেল নিখোঁজ

আলী আহাম্মেদ
বাঞ্ছারামপুর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে তিতাস নদীতে ড্রেজারে কাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট থাকার পর মো. মকবুল হোসেন ও রুবেল মিয়া নামে দুই ব্যক্তি নিখোঁজ হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। পৃথক ঘটনায় তাদের সন্ধান পেতে পরিবারের পক্ষ থেকে বাঞ্ছারামপুর মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) ও অভিযোগ করা হয়েছে।
পরিবারের অভিযোগ ও স্থানীয়দের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২১ সেপ্টেম্বর ড্রেজার ব্যবসাকে কেন্দ্র করে মকবুল হোসেনের সঙ্গে আবিদ নামে এক ব্যক্তির হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ সময় রুবেল, সাজু, নাসির ও আবিদ সেখানে উপস্থিত ছিলেন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে। ওই ঘটনার পর মকবুল হোসেনের আর কোনো সন্ধান পাওয়া যাচ্ছে না বলে পরিবারের সদস্যরা জানান।
মকবুল হোসেনের নিখোঁজের ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে সাজু, নাসির ও আবিদের বিরুদ্ধে হুমকি দেওয়ার অভিযোগও করা হয়েছে। পরে বিষয়টি তদন্ত করে মকবুলের সন্ধান ও প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য থানায় জিডি করা হয়।
নিখোঁজ মকবুল হোসেনের বড় ভাই বাবুল মেম্বার বলেন, আমরা আমার ভাইকে ফেরত চাই। যারা আমার ভাইকে গুম করেছে, তাদের বিচার চাই।
এদিকে একই এলাকার আরেক ব্যক্তি রুবেল মিয়াও তিতাস নদীতে ড্রেজারে যাওয়ার পর নিখোঁজ হয়েছেন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
নিখোঁজ রুবেল মিয়া বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ছলিমাবাদ ইউনিয়নের পাঠামারা গ্রামের মধ্যপাড়ার বাসিন্দা। তিনি মৃত আরব আলীর ছেলে।
পরিবারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ সেপ্টেম্বর রুবেল মিয়া নিলখী এলাকার তিতাস নদীতে একটি বালুর ড্রেজার দেখতে যান। ড্রেজারে কর্মরত স্টাফদের তথ্য অনুযায়ী, সকাল আনুমানিক ৭টার পর থেকে রুবেলকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি।
পরে ড্রেজারসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকায় খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাওয়া যায়নি। পরিবারের সদস্য ও স্বজনরা রুবেলের সন্ধান পেতে স্থানীয়দের সহযোগিতা কামনা করেছেন।
নিখোঁজ দুই ব্যক্তির বিষয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল ও সংশ্লিষ্ট এলাকায় গিয়ে তথ্য সংগ্রহ এবং তদন্ত শুরু করেছে বলে জানা গেছে।
বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ ইয়াছিন বলেন, “নিখোঁজের ঘটনায় পুলিশ তদন্তের কাজ চলমান রেখেছে। তদন্তে যার সম্পৃক্ততা পাওয়া যাবে, তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পুলিশ জানিয়েছে, নিখোঁজ দুই ব্যক্তির সন্ধান এবং ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে। তবে মকবুল হোসেন ও রুবেল মিয়ার নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা একই ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত কি না, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যাবে।