Logo
প্রকাশ: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬  |  প্রিন্ট: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

এটিএমটিভি ২৪

এটিএমটিভি ২৪

জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক | ঢাকা | ৫ আগস্ট ২০২৬

বাংলাদেশের ফ্যাসিবাদবিরোধী গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ইতিহাস সংরক্ষণ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি পৌঁছে দিতে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে নবনির্মিত ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ উদ্বোধন করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।


বুধবার (৫ আগস্ট ২০২৬) সকালে জাদুঘরের স্মৃতিফলক উন্মোচনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের পর ফাতেহা পাঠ, দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। পরে প্রধানমন্ত্রী জাদুঘরের বিভিন্ন গ্যালারি পরিদর্শন করে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতি, শহীদদের আত্মত্যাগ, গণআন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাবলি এবং সংরক্ষিত আলোকচিত্র, দলিলপত্র, ভিডিওচিত্র, স্মারক ও অন্যান্য ঐতিহাসিক নিদর্শন ঘুরে দেখেন।
অনুষ্ঠানে অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং প্রধানমন্ত্রীর কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। এ সময় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ঘটনাপ্রবাহ, গণমানুষের অংশগ্রহণ এবং বিজয়ের ইতিহাসভিত্তিক একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
পরে ‘জুলাই ৩৬’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ জনগণের সংগ্রাম, আত্মত্যাগ, বেদনা, সাহস ও গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে জাতীয় স্মৃতিতে স্থায়ীভাবে ধারণ করার একটি ঐতিহাসিক উদ্যোগ। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই জাদুঘর শুধু ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস নয়, বাংলাদেশের সামগ্রিক গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার সঙ্গেও এর সম্পর্ক তুলে ধরবে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ইতিহাসকে সত্যনিষ্ঠ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্যভাবে সংরক্ষণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি শহীদদের পরিচয়, জীবনকথা, আহতদের সাক্ষ্য, আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের অভিজ্ঞতা, আলোকচিত্র, দলিলপত্র, ভিডিওচিত্র ও শিল্পকর্ম সংরক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন, যাতে দেশি-বিদেশি গবেষক এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্ম বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সংগ্রামের প্রকৃত ইতিহাস জানতে পারে।
তিনি আরও বলেন, ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনে সংঘটিত প্রতিটি অপরাধের বিচার আইনের যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করে স্বচ্ছ, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্যভাবে সম্পন্ন করা হবে। একই সঙ্গে শহীদদের স্মৃতি সংরক্ষণ, আহত জুলাই যোদ্ধাদের চিকিৎসা ও কল্যাণ নিশ্চিত করে একটি স্বনির্ভর, সমৃদ্ধ, নিরাপদ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গঠনে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।
গণঅভ্যুত্থানে জনগণের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সেনাবাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ এবং শহীদ পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ আর কখনো কোনো তাঁবেদার রাষ্ট্রে পরিণত হবে না।
আলোচনা সভা শেষে দেশের খ্যাতনামা শিল্পীদের অংশগ্রহণে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রকাশক : আলী আহাম্মেদ, সম্পাদক : মো: আসাদুজ্জামান

প্রিন্ট করুন