Logo
প্রকাশ: শনিবার, ১ আগস্ট ২০২৬  |  প্রিন্ট: শনিবার, ১ আগস্ট ২০২৬

বাঞ্ছারামপুরে খাল পুনঃখনন শেষে ২৮ লাখ টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত ইউএনও মোঃতারিকুল ইসলাম

এটিএমটিভি ২৪

এটিএমটিভি ২৪

বাঞ্ছারামপুরে খাল পুনঃখনন শেষে ২৮ লাখ টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত ইউএনও মোঃতারিকুল ইসলাম

আলী আহাম্মেদ
বাঞ্ছারামপুর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি

২৮ জুলাই ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলায় দুটি খাল পুনঃখনন প্রকল্পের কাজ শেষে সাশ্রয় হওয়া ২৭ লাখ ৯৫ হাজার ৩১ টাকা রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. তারিকুল ইসলামের নির্দেশনায় উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় উদ্বৃত্ত এ অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা দেয়।


উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, খাল পুনঃখনন প্রকল্পের আওতায় প্রায় ২৫ লাখ ৮০ হাজার টাকা ব্যয়ে ০.৭৫০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের কাটাখালী (কুমাইরা) খাল এবং ৩১ লাখ টাকা ব্যয়ে তেজখালী ইউনিয়নের ১.২০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের লটিয়ার খাল পুনঃখননের কাজ বাস্তবায়ন করা হয়।


গত ২৫ এপ্রিল স্থানীয় সংসদ সদস্য ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি প্রকল্পটির উদ্বোধন করেন।
প্রকল্পের আওতায় খালের দখলমুক্তকরণ, সরকারি নকশা অনুযায়ী খনন, দুই পাড় সংরক্ষণ এবং বৃক্ষরোপণের কাজ সম্পন্ন করা হয়।
প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয় জানায়, দুটি প্রকল্পে মোট ২৮ লাখ ৭৮ হাজার ২৩৮ টাকা ব্যয় হয়েছে। ফলে বরাদ্দের ২৭ লাখ ৯৫ হাজার ৩১ টাকা উদ্বৃত্ত থাকে, যা সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, “সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী দুটি খালে মোট ১.৯০ কিলোমিটার অংশ গড়ে ৭ থেকে ৮ ফুট গভীর এবং ৩০ থেকে ৪০ ফুট প্রস্থে খনন করা হয়েছে। বৃষ্টির কারণে একাধিকবার খালের পাড় মেরামত করতে হয়েছে। এছাড়া একটি খালের একপাশে বিভিন্ন প্রজাতির ২২০টি গাছের চারা রোপণ করা হয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তারিকুল ইসলাম বলেন, “খাল পুনঃখনন প্রকল্পটি প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ প্রকল্পের আওতাভুক্ত। বাঞ্ছারামপুরের দুটি ইউনিয়নে একটি খালের কাজ নকশা অনুযায়ী শতভাগ সম্পন্ন হয়েছে। তবে প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে অপর খালটির কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পুরোপুরি শেষ করা সম্ভব হয়নি। ফলে বরাদ্দের একটি অংশ উদ্বৃত্ত থাকে, যা আজ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে ফেরত দেওয়া হয়েছে।”

প্রকাশক : আলী আহাম্মেদ, সম্পাদক : মো: আসাদুজ্জামান

প্রিন্ট করুন