Logo
প্রকাশ: রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬  |  প্রিন্ট: রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬

বাঞ্ছারামপুরে স্পিডবোট ঘাটে শিশুর ভাড়া নিয়ে বিরোধের জেরে সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ জাহাঙ্গীর; ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি

এটিএমটিভি ২৪

এটিএমটিভি ২৪

বাঞ্ছারামপুরে স্পিডবোট ঘাটে শিশুর ভাড়া নিয়ে বিরোধের জেরে সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধ জাহাঙ্গীর; ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি

আলী আহাম্মেদ
বাঞ্ছারামপুর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া), ২৪ জুলাই ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার দরিয়াদৌলত ইউনিয়নের মরিচাকান্দি পূর্বপাড়া এলাকায় স্পিডবোট ঘাটে তিন বছরের এক শিশুর ভাড়া নিয়ে বিরোধের জেরে সংঘর্ষের ঘটনায় জাহাঙ্গীর মিয়া (জাহাঙ্গীর আলম) নামে এক ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। শুক্রবার (২৪ জুলাই) দুপুর আনুমানিক ২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে প্রথমে নরসিংদীতে নেওয়া হয়। পরে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
স্থানীয় ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা যায়, মরিচাকান্দি গ্রামের স্পিডবোট ঘাটে এক যাত্রীর সঙ্গে থাকা তিন বছরের এক শিশুর ভাড়া দাবি করাকে কেন্দ্র করে স্পিডবোট চালক ইমরানের সঙ্গে ঘাটের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের বাকবিতণ্ডা হয়। বিষয়টি পরে মীমাংসা হলেও পরবর্তীতে পূর্বের বিরোধের জের ধরে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, পরে সংঘবদ্ধভাবে হামলা চালানো হয়। প্রথমে জাহাঙ্গীরের ছোট ভাই আসাদুল্লাহকে মারধর করা হয়। তার ওপর হামলার খবর পেয়ে জাহাঙ্গীর ঘটনাস্থলে গেলে সেখানে আবারও সংঘর্ষের সৃষ্টি হয়। এ সময় শরিফ (পিতা: কালা মিয়া) আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে গুলি ছোড়েন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। গুলিটি জাহাঙ্গীরের তলপেটে লাগে। হামলার পর অভিযুক্তরা মোটরসাইকেলে করে এলাকা ত্যাগ করেন বলে স্থানীয়দের দাবি।
স্থানীয়রা আহত জাহাঙ্গীরকে দ্রুত উদ্ধার করে প্রথমে নরসিংদীতে নিয়ে যান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে পরিবারের সদস্যরা জানিয়েছেন।
ঘটনার পর মরিচাকান্দি এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। খবর পেয়ে বাঞ্ছারামপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
বাঞ্ছারামপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ ইয়াসিন বলেন, গুলিবর্ষণের ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে যায়। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চলছে। অভিযোগের বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত শরিফ ও ইমরানের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রকাশক : আলী আহাম্মেদ, সম্পাদক : মো: আসাদুজ্জামান

প্রিন্ট করুন